কে.এম রুবেল (চট্টগ্রাম) : বাংলাদেশ লাইটারেজ শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে সোমবার এক সমাবেশে বক্তারা বলেন, শ্রমিকদের মজুরী বৃদ্ধি এবং নিরাপদ নৌ-পথ নিশ্চিত না করলে শ্রমিকরা কর্মবিরতি প্রত্যাহার করবে না। তারা বলেন, শ্রমিকরা স্বতস্ফূর্তভাবে কর্মবিরতি শুরু করলেও সরকার, মালিকপক্ষ এবং প্রশাসনে নির্লিপ্ততা পুরো পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলেছে। গত ৪ দিন ধরে শ্রমিকদের দাবির প্রতি কোন মহল কর্ণপাত করেনি। সে কারণে লাইটারেজ শ্রমিক ইউনিয়ন কর্মবিরতি পালনরত শ্রমিকদের পাশে থেকে দাবি আদায়ের জন্য সংগ্রাম করে যাবে। এখন থেকে প্রতিদিন দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত শ্রমিকদের কর্মবিরতির সমর্থনে সভা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। প্রয়োজনে কঠোর কর্মসূচি দিয়ে শ্রমিকদের দাবি আদায় করা হবে।
সোমবার বিকেলে চট্টগ্রামের বাংলাবাজারস্থ লাইটারেজ শ্রমিক ইউনিয়ন কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সমাবেশে বক্তারা একথা বলেন। লাইটারেজ শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আবু তাহেরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক নবী আলম মাষ্টার, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শাহাবুদ্দিন, আফসার মাষ্টার, সামুদ্রিক মৎস্য শিকারী জাহাজ শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি খোরশেদ আলম, ট্রেড ইউনিয়ন সংঘের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ আলমসহ লাইটার শ্রমিক ইউনিয়ন ও বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনেরনেতৃবৃন্দ।
বক্তারা অরো বলেন, ১১ জানুয়ারী শ্রমিকদের সাথে মোট বেতনের উপর ২০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধির দাবি সরকার ও মালিকরা মেনে নিয়ে চুক্তি স্বাক্সর করে। কিন্তু প্রায় ৪ মাস অতিক্রান্ত হলেও মালিকরা দাবি মেনে নেয়নি। তারা কার্যত সরকারকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করেছে। এসব মালিকরা আইন অমান্য করলেও সরকার তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থাই নিতে পারেনি। এ ছাড়া এখন প্রতিদিন ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যাওয়া আসার পথে অন্তত ২০ জায়গায় চাদা দিতে হয় এবং প্রতিদিন গড়ে অন্তত ৫টি ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় শ্রমিকদের সহায়-সম্পদ ছাড়াও জীবনহানি হয়। বর্তমানে ডাকাত এবং চাদাবাজদের দখলে চলে যাওয়ানৌ-পথকে মুক্ত করে শ্রমিকদের জীবনের নিরাপত্তা দিতে হবে। এ দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত শ্রমিকরা আন্দোলন চারিয়ে যাবে।
বক্তারা অরো বলেন, ১১ জানুয়ারী শ্রমিকদের সাথে মোট বেতনের উপর ২০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধির দাবি সরকার ও মালিকরা মেনে নিয়ে চুক্তি স্বাক্সর করে। কিন্তু প্রায় ৪ মাস অতিক্রান্ত হলেও মালিকরা দাবি মেনে নেয়নি। তারা কার্যত সরকারকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করেছে। এসব মালিকরা আইন অমান্য করলেও সরকার তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থাই নিতে পারেনি। এ ছাড়া এখন প্রতিদিন ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যাওয়া আসার পথে অন্তত ২০ জায়গায় চাদা দিতে হয় এবং প্রতিদিন গড়ে অন্তত ৫টি ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় শ্রমিকদের সহায়-সম্পদ ছাড়াও জীবনহানি হয়। বর্তমানে ডাকাত এবং চাদাবাজদের দখলে চলে যাওয়ানৌ-পথকে মুক্ত করে শ্রমিকদের জীবনের নিরাপত্তা দিতে হবে। এ দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত শ্রমিকরা আন্দোলন চারিয়ে যাবে।