কে.এম রুবেল (চট্টগ্রাম) : লাইটার ও কোষ্টার জাহাজে কর্মরত শ্রমিকদের ইতিমধ্যে সিদ্ধান্তকৃত বর্ধিত মজুরী বাস্তবায়ন করে চলমান ধর্মঘট অবসানের ব্যবস্থা গ্রহণে নৌ-পরিবহন মন্ত্রীর প্রতি দি চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি’র সভাপতি মাহবুবুল আলম আহবান জানিয়েছেন। ৮ এপ্রিল এক জরুরী পত্রে তিনি উক্ত আহবান জানান। পত্রে চেম্বার সভাপতি
বলেন-চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে আমদানিকৃত নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য ও শিল্প কারখানাসমূহের অপরিহার্য কাঁচামাল বহিঃনোঙ্গরে অবস্থানকারী বিদেশী মাদার ভেসেল থেকে খালাসপূর্বক লাইটার/কোষ্টার জাহাজের মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ নৌ-পথে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে পরিবাহিত হয়ে থাকে। কিন্তু গত ৪ (চার) দিন যাবৎ এই সকল লাইটার/কোষ্টার জাহাজে কর্মরত শ্রমিকদের লাগাতার কর্মবিরতির কারণে এসব পণ্য ও কাঁচামাল পরিবহন বন্ধ রয়েছে। এই অচলাবস্থার কারনে যথাসময়ে পণ্য খালাস ও পরিবহন করতে না পারায় বহিঃনোঙ্গরে অবস্থানকারী মাদার ভেসেলগুলোকে অতিরিক্ত সময় অবস্থানের কারণে প্রচুর পরিমাণ ডেমারেজ গুণতে হচ্ছে এবং পণ্যপরিবহনে ব্যবহৃত কোস্টার ও লাইটারের ভাড়াও অনেকগুণ বেড়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি অভ্যন্তরীন বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি এবং সংশ্লিষ্ট রপ্তানিকারকগণ সময়মত কাঁচামাল না পাওয়ার কারণে কার্যাদেশ অনুযায়ী উক্ত কাঁচামাল দ্বারা তৈরী পণ্য রপ্তানি করতে ব্যর্থ হওয়ার কারণে বিপুল পরিমাণে আর্থিক ক্ষতির সম্মূখীন হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শ্রমিকদের মজুরী বৃদ্ধির দীর্ঘদিনের দাবীর প্রেক্ষিতে ইতিপূর্বে ২০% মজুরী বাড়ানোর সিদ্ধান্ত গৃহীত হলেও তা বাস্তবায়ন করা হয়নি। এরই প্রেক্ষিতে শ্রমিকরা ধর্মঘট পালন করছে। তাই দেশের বৃহত্তর অর্থনৈতিক স্বার্থে শ্রমিকদের বর্ধিত মজুরী বাস্তবায়নের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করতে নৌ মন্ত্রীর প্রতি চেম্বার সভাপতি বিশেষভাবে অনুরোধ জানান।
.jpg)