চট্টগ্রামে বুধবার সকাল-সন্ধ্যা হরতাল ডেকেছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ, যেদিন সেখানে শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চের সমাবেশের কর্মসূচি রয়েছে। শনিবার রাতে হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মঈনুদ্দিন রূহী সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, চট্টগ্রামে শাহবাগে ইসলাম অবমাননাকারী নাস্তিক ব্লগারদের প্রতিহত করতেই এ হরতালের ডাক দেয়া হয়েছে। ১৩ মার্চ বুধবারের ওই সমাবেশে শাহবাগের আন্দোলনকারীদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।
মাওলানা মঈনুদ্দিন রূহী জানান, এরই মধ্যে চট্টগ্রামে ইমরান এইচ সরকারসহ নাস্তিক ব্লগারদের অবাঞ্চিত ঘোষণা করা হয়েছে। ১৩ মার্চের হরতালে নেজামে ইসলামী পার্টিসহ অন্যান্য ইসলামী দলগুলোর সমর্থন রয়েছে বলে জানিয়েছেন দলের চেয়ারম্যান মুফতি ইজাহারুল ইসলাম চৌধুরী। শুক্রবার বিকালে শাহবাগের নারী জাগরণ সমাবেশ থেকে গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার নতুন এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আগামী ১০ মার্চ বিকেল ৩টায় উত্তরায় ১১ নম্বর সেক্টরের চৌরাস্তায় সমাবেশ করবে গণজাগরণ মঞ্চ। এরপর ১৩ মার্চ বিকেলে প্রথমবারের মতো ঢাকার বাইরে চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে গণজাগরণ মঞ্চের সমাবেশ হবে। এর আগে সকালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে হবে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ। ১৫ মার্চ শাহবাগের আন্দোলনকারীরা যুদ্ধাপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি নিয়ে যাবে আশুলিয়ায়। ১৬ মার্চ সকাল ১১টায় জামায়াত-শিবিরের নৃশংসতার প্রতিবাদে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সম্প্রীতি সমাবেশের কর্মসূচিও রয়েছে।
মাওলানা মঈনুদ্দিন রূহী জানান, এরই মধ্যে চট্টগ্রামে ইমরান এইচ সরকারসহ নাস্তিক ব্লগারদের অবাঞ্চিত ঘোষণা করা হয়েছে। ১৩ মার্চের হরতালে নেজামে ইসলামী পার্টিসহ অন্যান্য ইসলামী দলগুলোর সমর্থন রয়েছে বলে জানিয়েছেন দলের চেয়ারম্যান মুফতি ইজাহারুল ইসলাম চৌধুরী। শুক্রবার বিকালে শাহবাগের নারী জাগরণ সমাবেশ থেকে গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার নতুন এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আগামী ১০ মার্চ বিকেল ৩টায় উত্তরায় ১১ নম্বর সেক্টরের চৌরাস্তায় সমাবেশ করবে গণজাগরণ মঞ্চ। এরপর ১৩ মার্চ বিকেলে প্রথমবারের মতো ঢাকার বাইরে চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে গণজাগরণ মঞ্চের সমাবেশ হবে। এর আগে সকালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে হবে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ। ১৫ মার্চ শাহবাগের আন্দোলনকারীরা যুদ্ধাপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি নিয়ে যাবে আশুলিয়ায়। ১৬ মার্চ সকাল ১১টায় জামায়াত-শিবিরের নৃশংসতার প্রতিবাদে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সম্প্রীতি সমাবেশের কর্মসূচিও রয়েছে।
