চট্টগ্রাম: শীর্ষ ১০ আলেম হত্যা চেষ্টার প্রতিবাদে নগরীর ওয়াসা মোড়ে প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলাদেশ ইসলামিক ফ্রন্ট চট্টগ্রাম মহানগর শাখা। শুক্রবার জুমার নামাজের পর ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ চট্টগ্রাম মহানগর শাখার সভাপতি রফিক কোম্পনীর সভাপতিত্বে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে সংগঠনের ভাইস চেয়ারম্যান এডভোকেট আবু নাছের তালুকদার প্রধান অতিথি এবং যুগ্ম মহাসচিব সোয়ায়মান ফরিদ প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন। সমাবেশ শেষে সেখান থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে জিইসি মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। সমাবেশ থেকে ইসলামের নামে ধ্বংসাত্মক রাজনীতিক দল জামায়াত ইসলামকে আইন করে নিষিদ্ধ করার দাবি জানানো হয়। জামায়াত ইসলামের নামে ‘তামাশা’ করছে বলেও অভিযোগ করা হয়। সমাবেশে জামায়াতের ইসলামের উদ্দেশ্যে প্রধান বক্তার বক্তব্যে সোলায়মান ফরিদ বলেন,‘ইসলাম নিয়ে আপনারা তামাশা করছেন। মানুষ হত্যা করে কি ধরণের ইসলাম চান তা এখন দেশের মানুষ বুঝে গেছে। দেশের শান্তিপ্রিয় মানুষ অনেক সহ্য করেছে, আর সইবে না।’ একাত্তর সালে সাঈদী মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছিল তার ফাঁসির রায় দেয়াতে আপনারা দেশে ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড শুরু করেছন। ইসলামে তো মানুষ হত্যা, জনদুর্ভোগ সৃষ্টি আর দেশের সম্পদ নষ্ট করার কোন বিধান নাই। একাত্তরে যেভাবে মা-বোনদের ইজ্জত রক্ষা পায়নি, দেশের মুক্তিকামী মানুষ রেহাই পায়নি এখনো পাচ্ছে না। তাহলে আপনারা কিসের ইসলাম কায়েম করতে চান। দেশের সম্পদ নষ্ট করে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে আপনারা কার স্বার্থ রক্ষা করতে চান প্রশ্ন রাখেন তিনি। জামায়াতে ইসলামীকে সন্ত্রাসী ও জঙ্গীবাদী দল আখ্যা দিয়ে তিনি সংসদে আইন পাশ করে দলটি নিষিদ্ধ করার দাবি জানান। আবু নাছের তালুকদার বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরে মনে করেছিলাম স্বাধীনতা বিরোধীরা আর মাথাচাড়া দিয়ে ইঠবে না। কিন্তু দেখা যাচ্ছে তারা আবারো সক্রিয় হয়ে উঠেছে বাংলাদেশকে কলকিঙ্কত করার জন্য। সাঈদীর বিচার আন্তর্জাতিকভাবে হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, যারা মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছে তাদের বিচার হতে হবে। বিচার কাজ করেও চলেছে ট্রাইব্যুনাল। কিন্তু সেই ট্রাইব্যুনাল ভেঙে দেয়ার যে আবদার জামায়াত করছে তা কখনো হবে না।‘