Wednesday, 1 May 2013

ইস্কন রাধামাধব মন্দির রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইস্কন), চট্টগ্রামের উদ্যোগে রাধামাধব মন্দির রক্ষার দাবিতে প্রেস ক্লাব চত্বরে গতকাল মঙ্গলবার মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়। এতে সভাপতির বক্তব্যে লীলারাজ গৌর দাস ব্রহ্মচারী বলেন, চট্টগ্রামের নন্দনকাননস্থ এন.এন.পাল পরিবারের পারিবারিক বিগ্রহ ‘শ্রী শ্রী রাধামাধব’ এবং বিগ্রহের নামে উৎসর্গীকৃত ভবনটি পরিবারের সম্মতিতে ১৯৮০ সালে ইস্কনকে প্রদান করে দখল বুঝিয়ে দেয়া হয়।
ইস্কন অসাম্প্রদায়িক, মানব কল্যাণমূলক সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান হিসেবে ধর্মীয় উৎসব জন্মাষ্টমী, রথযাত্রা, গৌর পূর্ণিমা ইত্যাদি উৎসব সেখানে চৈতন্য কালচারাল সোসাইটির মাধ্যমে পরিচালনা করছে। উক্ত মন্দিরের ওয়াসা, টেলিফোন, বিদ্যুৎ, গ্যাস লাইন ও বিল উক্ত নামে আছে। উক্ত বিগ্রহের তত্ত্বাবধায়ক ভারতী পাল পরবর্তীতে ১৭.১২.১৯৮৭ সালে উক্ত সম্পত্তি ইস্কনের নামে লিখিত অর্পণনামা দেন। ইস্কন রাধামাধব মন্দির ও বিগ্রহের সেবা পূজা করত পূর্ণ তত্ত্বাবধানে আছে।
উল্লেখ্য, উক্ত মন্দিরের পবিত্র ভূমি গ্রাসের জন্য দুষ্টচক্র জাল দলিল করে বলে প্রকাশ পায়। উক্ত ভূমিতে ইস্কন অনুপ্রবেশকারী নয়, যা চট্টগ্রামের জনগণ অবহিত আছেন। এই মন্দিরের ধর্মীয় উৎসবে মন্ত্রীবৃন্দ, রাষ্ট্রীয় ও সমাজের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। উক্ত বিগ্রহের ভূমির মালিকানা প্রতিষ্ঠার জন্য যুগ্ম জেলা জজ প্রথম আদালত, চট্টগ্রামে অপর মোকদ্দমা ও অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যার্পণ আইনে মামলা বিচারাধীন রয়েছে। রাধামাধব বিগ্রহের ও মন্দিরের পবিত্রতা, দীর্ঘ ৩০ বছরের অধিক দখলীয় ভূমির অস্তিত্ব রক্ষাকল্পে, বিগ্রহের সেবাপূজা অব্যাহত রাখার স্বার্থে দেশের সর্বস্তরের জনগণের সহযোগিতা, সমর্থনসহ ভূমিগ্রাসকারী দুষ্টচক্রের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রয়োজন রয়েছে। এতে বক্তব্য রাখেন চিন্ময়কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারী, রাধাগোবিন্দ দাস ব্রহ্মচারী, অদ্বৈত করুণা দাস প্রমুখ। এতে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ সভাপতি ইন্দুনন্দন দত্ত, হিন্দু ফাউন্ডেশন মহাসচিব নারায়ন কৃষ্ণ দত্ত, নন্দনকাননস্থ লোকানাথ মন্দির সভাপতি দীপক চক্রবর্তী, পি.পি. অ্যাডভোকেট এম. এ. হাশেম, জাগ্রত সনাতনী ঐক্য সংঘ সম্পাদক ডা. আর. কে রুবেল, একাত্তরের চেতনা সভাপতি আহমেদ সোহেল এবং ইস্কন রাঙামাটি, কক্সবাজার, বান্দরবান ও মোহরা নেতৃবৃন্দ ।