পুলিশ ও জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, শনিবার
রাত আটটায় গাজীপুর পৌরসভায় ৫নং ওয়ার্ড়ের হরিনালা ও নোয়াগাও মহল্লার ভাড়া
বাসা থেকে ৪৬জন যাত্রী নিরাপদ সুপার সার্ভিস (মায়ের দোয়া) নামের একটি
চেয়ারকোচে (নং টাঙ্গাইল জ-১১-০০৮০) করে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি হযরত
মাইনুদ্দিন আল হাসানীর ৭৬তম খোশরোজ শরীফে যোগদানের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রুহুল আমিন জানান,
তিনি গাজীপুর জেলা প্রশাসক নুরুল ইসলামের সাথে কথা বলে ১৭জনের লাশ গাজীপুর
পৌরসভায় পৌঁছে দিয়েছেন। দূর্ঘটনার সাথে সাথে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক রুহুল
আমিন, পুলিশ সুপার আজাদ মিয়া ও চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জয়নাল
আবেদীন ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার তৎপরতা ও চিকিৎসায় সহযোগিতা করেন। ওই বাসের
অপর দুই যাত্রী মো: শামীম ও আল আামিন অন্য গাড়িতে করে আগেই কক্সবাজার চলে
যাওয়ায় তারা দূর্ঘটনা থেকে রক্ষা পান। শামীম জানান, ফটিকছড়িতে আসা এসব
আশেকানদের বেশিরভাগই স্বল্প আয়ের লোক। নিহতের মধ্যে তোয়াজ উদ্দিনের পুত্র
আবছার উদ্দিন (৪৬), মোহর আলীর পুত্র আবদুর রশিদ (৪০), হাসেমের পুত্র ইকবাল
(৪০), আবদুল আজিজের পুত্র রাজিব (৩০), লাল মিয়ার দুই স্ত্রী জয়নাব বেগম
(৪৮) ও মুফিজা বেগম (৩৮), সাতাই ফলানের পুত্র মোহাম্মদ (৬৫), তহীদুল (৩৮),
অহিজ উদ্দিন (৮০), আবদুল জলিল (৫০), শিউলীর (১৪) নাম পাওয়া গেছে।